রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রোডাক্টিভ রুটিন ও সুন্নাহ লাইফস্টাইল—একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড। আধুনিক জীবনের প্রতিটি সমস্যা সমাধানে সুন্নাহর আলোকে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করুন।

অযথা সময় নষ্ট হয়, সারাদিন শেষে মনে হয় কিছুই করা হলো না
কাজে ফোকাস রাখতে পারি না, প্রোডাক্টিভ হতে পারি না
দ্বীন ও দুনিয়ার কাজের মাঝে ব্যালেন্স করতে বা সঠিক লাইফস্টাইল ফলো করতে পারি না
"এই বই আপনাকে শেখাবে—কীভাবে রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে জীবনকে সর্বোচ্চ প্রোডাক্টিভ করা যায়। প্রতিটি মুহূর্তকে কীভাবে ইবাদতে পরিণত করা যায় এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা অর্জন করা যায়।"
সমাধানের পথে পা বাড়ান →
রাসুল (সা.)-এর ২৪ ঘণ্টার রুটিন এবং কীভাবে তা আমাদের জীবনে প্রয়োগ করা যায় তার বিস্তারিত গাইডলাইন।
বইয়ের প্রতিটি বিষয় ও আমল রেফারেন্সসহ নির্ভরযোগ্য হাদিসের আলোকে তুলে ধরা হয়েছে।
পাঠকের সুবিধার্থে অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও সহজ ভাষায় লেখা, যা সব বয়সী মানুষের জন্য বোধগম্য।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজে মনে রাখার জন্য চমৎকার চার্ট এবং ইনফোগ্রাফিকের ব্যবহার।
শুধু থিওরি নয়, এতে প্র্যাকটিক্যাল রুটিন দেওয়া আছে যা আপনি আজ থেকেই শুরু করতে পারবেন।
আধুনিক জীবনের ব্যস্ততার সাথে সুন্নাহর কীভাবে সমন্বয় করবেন, তার সল্যুশন।
মানসিক প্রশান্তি এবং সময় ব্যবস্থাপনার (Time Management) উপর সুন্নাহর অসাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি।
ক্যারিয়ার, পরিবার এবং ব্যক্তিগত ইবাদত—সবকিছুর মাঝে ব্যালেন্স করার উপায়।
কোনো অতিরঞ্জিত বা জয়িফ/জাল হাদিস নেই, সম্পূর্ণ যাচাইকৃত তথ্য।
সম্পূর্ণ ১২টি অধ্যায়ের বিস্তারিত বিষয়বস্তু
"আলহামদুলিল্লাহ, বইটি পড়ে আমার প্রতিদিনের রুটিনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সময় নষ্ট অনেকাংশে কমে গেছে এবং নামাজ ও ইবাদতে ফোকাস বেড়েছে।"

গতানুগতিক ধারার বাইরে কাজ করা আত্মপ্রত্যয়ী একজন মানুষ—মিরাজ রহমান। মিডিয়ায় সক্রিয়ভাবে যখন কাজ শুরু করেছেন, তখন তিনি মাদানিনগর মাদরাসার শিক্ষার্থী। কন্ট্রিবিউটর হিসেবে প্রথম কাজ শুরু করেন দৈনিক যুগান্তরে।
সহ-সম্পাদক হিসেবে প্রথম যোগদান করেন দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকায়। সেখান থেকে দৈনিক কালের কণ্ঠে। দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইসলামবিষয়ক অনলাইন পোর্টাল প্রিয়.কমের 'প্রিয় ইসলাম'-এর সৃষ্টি ও পথচলার সূচনা তারই হাতে।
এসো কলম মেরামত করি, ছোটদের নবি-রাসুল সিরিজসহ অনেক সাড়া জাগানো গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। বর্তমানে কাজ করছেন অনলাইন ইসলামিক টিভি ইসলাম প্রতিদিন এবং প্রকাশনা সংস্থা সুলতানসের চেয়ারম্যান হিসেবে।